Posts

Showing posts with the label রসায়ন

এক মােল কাকে বলে ?

এক মােল কাকে বলে ?  উত্তর : যে পরিমাণ পদার্থে 0.012 কিলােগ্রাম কার্বন -12 এ অবস্থিত পরমাণুর সমান সংখ্যক প্রাথমিক ইউনিট ( যেমন পরমাণু , অণু , আয়ন , ইলেকট্রন ইত্যাদি বা এগুলাের নির্দিষ্ট কোনাে গ্রুপ ) থাকে তাকে এক মােল বলে । রাসায়নিক পদার্থের পারমাণবিক ভর (পরমাণুর ক্ষেত্রে) অথবা আণবিক ভরকে (অণুর ক্ষেত্রে) গ্রাম এককে প্রকাশ করলে যে পরিমাণ পাওয়া যায় তাকে ঐ পদার্থের এক মোল বলে। অথবা, কোন রাসায়নিক পদার্থের যে পরিমাণে অ্যাভেগেড্রো সংখ্যক(6.02x10^23) অণু পরমাণু বা আয়ন থাকে, তাকে ঐ পদার্থের মোল বলে। যেমনঃ ১ মোল নাইট্রোজেন পরমাণু = ১৪ গ্রাম = 6.02x10^23টি পরমাণু ১ মোল কার্বন পরমাণু = ১২ গ্রাম = 6.02x10^23টি পরমাণু ১ মোল পানি = ১৮ গ্রাম = 6.02x10^23টি অণু আপনি আরো পড়তে পারেন... বিগ ব্যাং তত্ত্ব কি? || বিগ ব্যাং কি? || বিগ ব্যাং এর জনক কে? তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণ (Electromagnet Radiation) কি?

অণু ও পরমাণুর মধ্যে পার্থক্য কী? || অণু ও পরমাণুর মধ্যে পার্থক্য লিখ।

Image
অণু ও পরমাণুর মধ্যে পার্থক্য কী? || অণু ও পরমাণুর মধ্যে পার্থক্য লিখ। অণু ও পরমাণুর মধ্যে পার্থক্য অণু :   মৌলিক ও যৌগিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা, যার মধ্যে ঐ পদার্থের সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকে তাই অণু। অণু মৌলিক বা যৌগিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা। অণু স্বাধীনভাবে মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে। অণু সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না। রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণের পূর্বে অণু পরমাণুতে বিশ্লিষ্ট হয়। পৃথিবীতে যৌগিক পদার্থের সংখ্যা অসংখ্য বলে অণুর সংখ্যাও অসংখ্য। অণুকে ভাঙলে একই বা ভিন্ন মৌলের পরমাণু পাওয়া যায়। পরমাণু: মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা হল পরমাণু। পরমাণু মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা সাধারণত পরমাণু স্বাধীনভাবে মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে না, তবে কোনো কোনো মৌলিক পদার্থের পরমাণু স্বাধীনভাবে থাকতে পারে। যেমন—হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন ইত্যাদি। পরমাণু সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। বিভিন্ন প্রকার পরমাণুর সংখ্যা সীমিত। এ পর্যন্ত ১১১ প্রকারের পরমাণু আবিষ্কৃত হয়েছে পরমাণুকে ভাঙলে ওই মৌলের আর অস্তিত্ব থাকে না। অণু ও পরমাণুর মধ্যে পার্থক্য লিখ   অণু   পরমাণু  ...

নিষ্ক্রিয় গ্যাস কাকে বলে? || নিষ্ক্রিয় গ্যাস গুলি নিষ্ক্রিয় কেন?

Image
নিষ্ক্রিয় গ্যাস কাকে বলে || নিষ্ক্রিয় গ্যাস গুলি নিষ্ক্রিয় কেন: উত্তরঃ যে সকল মৌলের শেষ কক্ষপথ ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ, তাদেরকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলে। যে মৌলিক পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেনা তাকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলে। নিষ্ক্রিয় গ্যাস ৬ টি : হিলিয়াম(He), নিয়ন(Ne) আর্গন(Ar),ক্রিপ্টন(Kr), জেনন(Xe), রেডন(Rn) নিষ্ক্রিয় গ্যাস নিষ্ক্রিয় গ্যাসঃ    পর্যায় সারণির যেসব মৌলের পরমাণু সমূহ ইলেকট্রন আদান, প্রদান বা শেয়ারের মাধ্যমে বন্ধন গঠন করে না তাদেরকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলা হয়। পর্যায় সারণির 18 নম্বর গ্রুপে এদের অবস্থান। নিষ্ক্রিয় গ্যাস গুলি হচ্ছে হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন(Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn). নিষ্ক্রিয় গ্যাস গুলি নিষ্ক্রিয় কেনঃ   নিষ্ক্রিয় গ্যাস গুলির ইলেকট্রন বিন্যাস করলে দেখা যায় হিলিয়াম ব্যতীত অন্য নিষ্ক্রিয় গ্যাস গুলোর সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরে অষ্টক পূর্ণ থাকে। নিষ্ক্রিয় মৌল সমূহের সর্বশেষ শক্তিস্তরে অষ্টক পুর্ণ থাকায় নিষ্ক্রিয় মৌল সমূহ যথেষ্ট স্থিতিশীল থাকে। ফলে এসব মৌল সমূহ সহজে কোন বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না। সর্ববহ...

সুষম খাদ্য পিরামিড কি? || সুষম খাদ্য পিরামিড বলতে কি বুঝায়?

Image
সুষম খাদ্য পিরামিড কি || সুষম খাদ্য পিরামিড বলতে কি বুঝায় : সুষম খাদ্য  খাদ্যের সহায়ক উপাদান তিনটি শর্করাকে নিচু স্বরে রেখে পর্যায়ক্রমে পরিমাণগত দিক বিবেচনা করে , শাক - সবজি , ফলমূল , আমিষ , স্নেহ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যকে সাহাপানাের আনা মাধ্যমে তৈরি কাল্পনিক পিরামিডই হলাে সুষম খাদ্য পিরামিড । এই পিরামিডের মাধ্যমে একজন কিশাের বা কিশােরী , প্রাপ্তবয়স্ক একজন পুরুষ বা মহিলার সুষম খাদ্য তালিকা বাছাই করা হয় । স্বাস্থ রক্ষায় এই পিরামি অতি গুরুত্বপূর্ণ । সুষম খাদ্য পিরামিড আমরা দেহের ক্ষয়পূরণ, বৃদ্ধিসাধন, তাপ উৎপাদন ও কর্মক্ষম রাখার জন্য বিভিন্ন খাবার খেয়ে থাকি। এসব খাবারের মধ্যে কিছু খাদ্য বেশি পরিমাণে গ্রহণ করা হয়। আবার কিছু খাদ্য আছে যেগুলো কম পরিমাণে গ্রহণ করতে হয়। আমাদের খাদ্য তালিকায় যে খাবারটি বেশি পরিমাণে গ্রহণ করতে হয় তা হচ্ছে শর্করাজাতীয় খাবার। এরপর ফলমূল-শাকসবজি, মাছ -মাংস ও স্নেহ জাতীয় খাবার প্রয়োজন হয়। আমাদের শরীরের পরিমাণগত দিক বিবেচনা করে পর্যায়ক্রমে শর্করা, ফলমূল - শাকসবজি, মাছ- মাংস বা আমিষ ও স্নেহ বা চর্বি জাতীয় খাদ্যকে পরপর সাজালে যে পিরামিড তৈ...

রসায়ন অর্থ কি? || রসায়ন কি ও কাকে বলে?

Image
রসায়ন শব্দের উৎপত্তি ও অর্থ: রসায়ন শব্দের ইংরেজি Chemistry (কেমিস্ট্রি)। মধ্যযুগে পরশ পাথরের সন্ধানে পরীক্ষারত মুসলিম বিজ্ঞানীরা একটি শাস্ত্র বা পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। এটাকে তারা বলতেন আলকামিস্তা বা আলকেমি। আলকেমি এসেছে আরবী শব্দ আল-কিমিয়া থেকে। আল-কিমিয়া শব্দটি এসেছে 'কিমি' থেকে। কিমি থেকেই Chemistry শব্দের উৎপত্তি। রসায়ন রসায়ন কি ও কাকে বলে: পদার্থের গঠন, সংযুক্তি, ধর্ম এবং রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় পদার্থের পরিবর্তন সংক্রান্ত বিজ্ঞান কে রসায়ন বলে। বিজ্ঞানের যে শাখায়  পদার্থের উপাদান, কাঠামো, ধর্ম (ভৌত ও রাসায়নিক) ও পারস্পরিক ক্রিয়া-বিক্রিয়া, সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে রসায়ন বলা হয়। রসায়নকে  পাঁচটি বিভাগে  অধ্যয়ন করা হয় - ◆জৈব রসায়ন (Organic Chemistry) ◆অজৈব রসায়ন(Inorganic Chemistry) ◆ভৌত রসায়ন(Physical Chemistry) ◆বিশ্লেষণী রসায়ন(Analytical Chemistry) ◆প্রাণরসায়ন(Bio Chemistry)     আপনি আর ও পড়তে পারেন... রাসায়নিক পরিবর্তন কাকে বলে? || (What is chemical change?) || রাসায়নিক পরিবর্ত...

রাসায়নিক পরিবর্তন কাকে বলে? || (What is chemical change?) || রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণ

Image
রাসায়নিক পরিবর্তন কাকে বলে:  রাসায়নিক পরিবর্তন: রাসায়নিক পরিবর্তন একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া একটি প্রক্রিয়া যা রাসায়নিক পদার্থগুলির এক সেটের রাসায়নিক রূপান্তরকে অন্যের দিকে পরিচালিত করে। ক্লাসিক্যালভাবে, রাসায়নিক প্রতিক্রিয়াগুলি কেবল পরিবর্তন ঘটায় যা শুধুমাত্র পরমাণুর মধ্যে রাসায়নিক বন্ধনের গঠন এবং ভঙ্গের মধ্যে ইলেকট্রনগুলির অবস্থানকে অন্তর্ভুক্ত করে, যা নিউক্লিয়ায় কোন পরিবর্তন না (বিদ্যমান উপাদানসমূহের কোনও পরিবর্তন হয় না) এবং প্রায়ই রাসায়নিক সমীকরণ দ্বারা বর্ণিত হয়। পারমাণবিক রসায়ন একটি রসায়নবিষয়ক উপ-শৃঙ্খলা যা অস্থায়ী এবং তেজস্ক্রিয় উপাদানগুলির রাসায়নিক প্রতিক্রিয়াগুলির সাথে জড়িত যেখানে উভয় ইলেকট্রনিক এবং পারমাণবিক পরিবর্তন ঘটতে পারে। সাধারণভাবে যখন পদার্থের সিস্টেম দ্বারা নির্দেশিত পরিবর্তনের মধ্যে কোনও পদার্থের ধরণের (রাসায়নিক প্রজাতি) পরিবর্তন হয় তখন একে রাসায়নিক পরিবর্তন বলা হয় এবং যখন পদার্থের প্রকার পরিবর্তন হয় না তবে কেবল তার অবস্থার পরিবর্তন হয় তখন তাকে শারীরিক বলা হয় পরিবর্তন. একটি প্রক্রিয়া যা রাসায়নিক পরিবর্তনের ...

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কাকে বলে? || রাসায়নিক সাম্যাবস্থার বৈশিষ্ট্য

Image
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কাকে বলে? || রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কি? রাসায়নিক সাম্যাবস্থা রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: রাসায়নিক বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যখন বিক্রিয়কসমূহ একসাথে মিশিয়ে কোন পাত্রে রাখা হয় (এবং প্রয়োজনে উত্তাপ দেয়া হয়), তখন সবটুকু বিক্রিয়ক উৎপাদে পরিণত হয় না। কিছু সময় পর (যে সময়ের পরিমাণ সেকেণ্ডের দশ লক্ষ ভাগের এক ভাগ হতে পারে অথবা মহাবিশ্বের বয়সের চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে) তারা এমন একটি বিন্দুতে এসে পৌছাবে যখন একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ বিক্রিয়ক একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ উৎপাদের সাথে সহাবস্থান করবে, যার আর নড়চড় হবে না। এই অবস্থাকেই বলা হয় রাসায়নিক সাম্যাবস্থা । উভমুখী বিক্রিয়ায় সম্মুখমুখী ও পশ্চাৎমুখী বিক্রিয়ার হার সমান হলে তাকে রাসায়নিক সাম্যাবস্থা বলে। রাসায়নিক সাম্যাবস্থার বৈশিষ্ট্য: রাসায়নিক সাম্যাবস্থা হল রাসায়নিক প্রক্রিয়ার এমন একটি পরিস্থিতি যাতে বিক্রিয়ক ও উৎপাদের পরিমাণের মাত্রা অপরিবর্তিত থাকে। সাধারণত এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যখন সম্মুখ বিক্রিয়ার গতিবেগ, পশ্চাৎ বিক্রিয়ার গতিবেগের সমান থাকে। এ অবস্থায় সম্মুখ ও বিপরীত ...

রাসায়নিক বন্ধন কাকে বলে ? || রাসায়নিক বন্ধন কত প্রকার ও কি কি?

Image
রাসায়নিক বন্ধন কাকে বলে  রাসায়নিক বন্ধন: বিভিন্ন অণুতে পরমাণুসমূহ যে আকর্ষণী বলের সাহায্যে পরস্পর পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে, তাকে রাসায়নিক বন্ধন বলে। রাসায়নিক বন্ধন কত প্রকার ও কি কি: সাধারণত গঠনের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে রাসায়নিক বন্ধন প্রধানত ৪ প্রকারে ভাগ করা যায়- ১. তড়িৎযোজী বা আয়নিক বন্ধন ( Electrovalent or Ionic bond ) ২. সমযোজী বা সহযোজী বন্ধন ( Covalent bond ) ৩. সন্নিবেশ বন্ধন ( Co-ordinated covalent bond ) ৪. ধাতব বন্ধন ( Metallic bond ) রাসায়নিক বন্ধন পদার্থের অণুগুলো পরস্পর পরস্পরের সাথে যে বল দ্বারা যুক্ত হয়ে বিভিন্ন ভৌত কাঠামো গঠন করে তাকে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল বলে। এ আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের রূপ বিভিন্ন রকম হতে পারে, একই বা ভিন্ন পদার্থের পরমানুর মধ্যে দুর্বর আকর্ষণের উপর ভিত্তি করে দুই প্রকার বন্ধন দেখা যায়। যথা – ১. ডাইপোল-ডাইপোল আকর্ষণ বল ২. ভ্যান্ডার ওয়ালস আকর্ষণ বল ৩. হাইড্রোজেন বন্ধন আপনি আর ও পড়তে পারেন... রাসায়নিক শক্তি কাকে বলে ? || রাসায়নিক শক্তি কী? বিক্রিয়ার হার কাকে বলে? || বিক্রিয়ার হার কী...

রাসায়নিক শক্তি কাকে বলে ? || রাসায়নিক শক্তি কী?

Image
রাসায়নিক বিক্রিয়া ও রাসায়নিক শক্তি একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা অন্য রাসায়নিক পদার্থের এক সেটের রাসায়নিক রূপান্তরকে নেতৃত্ব দেয়।  রাসায়নিক বিক্রিয়া সাধারণত রাসায়নিক পরিবর্তনের দ্বারা চিহ্নিত করা হয় এবং তারা এক বা একাধিক পণ্য উৎপাদন করে, যা সাধারণত বিক্রিয়ক থেকে আলাদা বৈশিষ্ট্য থাকে। রাসায়নিক শক্তি রাসায়নিক শক্তি কাকে বলে: যে কোনো বস্তুর বা পদার্থের অণুতে বিভিন্ন পরমাণুর বা আয়নের মধ্যে রাসায়নিক বন্ধন বিদ্যমান। এসব বন্ধন অসীম শক্তির আধার। আর এই শক্তিকেই রাসায়নিক শক্তি বলে। আপনি আর ও পড়তে পারেন... বিক্রিয়ার হার কাকে বলে? || বিক্রিয়ার হার কী? রাশি কাকে বলে? || রাশি কতো প্রকার ও কি কি?

বিক্রিয়ার হার কাকে বলে? || বিক্রিয়ার হার কী?

Image
বিক্রিয়ার হার কাকে বলে? বিক্রিয়ার হার কী : একক সময়ে একটি বিক্রিয়ার উৎপন্ন উপাদানের পরিমান বা ব্যবহিত বিক্রিয়কের পরিমানকে বিক্রিয়ার হার বলে | একক সময়ে বিক্রিয়কের ঘনমাত্রার হ্রাস বা উৎপাদের ঘনমাত্রার বৃদ্ধির হারকে বিক্রিয়ার হার বা গতিবেগ বলে। প্রতি একক সময়ে কোন একটি বিক্রিয়াপাত্রে যে পরিমাণে উৎপাদের ঘনমাত্রা বৃদ্ধি পায় বা বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা হ্রাস পায় তাকে বিক্রিয়ার হার বা গতিবেগ বলে । বিক্রিয়কের এবং উৎপাদের ঘনমাত্রাকে   । অতএব বিক্রিয়ার হারের একক হবে   । আপনি আর ও পড়তে পারেন... ঘুমের উপকারিতা || ঘুমের প্রয়োজনীয়তা || কত ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন গ্রীন বেঞ্চ কাকে বলে? || গ্রীনবেঞ্চ কি? লব্ধি ভেক্টর কাকে বলে? || লব্ধি বল কাকে বলে?

সবুজ রসায়ন বা গ্রিন কেমিস্ট্রি কাকে বলে?

Image
সবুজ রসায়ন বা গ্রিন কেমিস্ট্রি কাকে বলে?                     সবুজ রসায়ন বা গ্রিন কেমিস্ট্রি সবুজ রসায়ন হলো রসায়নের এমন একটি শাখা যেখানে কোন রাসায়নিক পদার্থ বা দ্রব্যাদির উৎপাদন, ব্যবহার ও বর্জ ব্যবস্থাপনার টেকসই ও নিরাপদ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।  অন্যভাবে বা একটু সহজ ভাবে বললে বলা যায়,  সবুজ রসায়ন বা গ্রিন কেমিস্ট্রি হলো রসায়নের একটি শাখা যাতে কম পরিবেশ দূষণ করে এবং ঝুঁকি হ্রাস করে এমন রাসায়নিক প্রক্রিয়া বা উৎপাদন-পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা হয়। কার্যত: 'সবুজ রসায়ন' এমন একটি গবেষণাদর্শন যার উদ্দেশ্য এমন রাসায়নিক পদ্ধতির উদ্ভাবন ও অবলম্বন করা যাতে শিল্পজাত বর্জ্যের পরিমাণ হ্রাস পায়, ঝুকিঁপূর্ণ রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার হ্রাস পায় এবং শক্তির অপচয় হ্রাস পায়।  গ্রিন কেমিস্ট্রি বা সবুজ রসায়নের মূলনীতি:  ১৯৯১ খ্রি. যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী পল টি অ্যানাস্তাস এবং জন সি ওয়ারনার সবুজ রসায়নের বিষয়টি প্রস্তাব করেন ৷ এতে সবুজ রসায়নের ১২ টি মূলমন্ত্র রয়েছে ৷ যথা:...

Popular posts from this blog

স্কেলার ও ভেক্টর রাশির উদাহরণ

পিচ কী? || পিচ (Pitch) কাকে বলে? || লঘিষ্ঠ গণন (Least count) কাকে বলে?

 ভার্নিয়ার স্কেল কী? || ভার্নিয়ার ধ্রুবক কাকে বলে?